
গ্যালারি






সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে অবস্থিত এই মসজিদটি আধুনিক জ্যামিতিক নকশা এবং বিমূর্ত প্রতীকী দর্শনের এক অনন্য সংমিশ্রণ। এটি ২০২৫ সালে স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
২০২৩ সালে ৪৬৪ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে নির্মিত এই মসজিদটি গ্রামীণ বাংলার এক শান্ত পরিবেশে অবস্থিত। নকশাটির মূল ভিত্তি হলো "অ্যাবস্ট্রাক্ট সেমিওটিক্স" (Abstract Semiotics) বা প্রতীকের বিমূর্তায়ন, যেখানে ইসলামি স্থাপত্যের প্রথাগত উপাদানগুলোকে (যেমন: গম্বুজ, মিনার ও খিলান) সরাসরি উপস্থাপন না করে জ্যামিতিক রূপান্তরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় লাল ইটের গাঁথুনি স্থাপনাটিকে মাটির সাথে একাত্ম করে রাখে এবং পবিত্রতার সাথে এক ধরণের নিবিড়তা তৈরি করে। মসজিদের আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টিতে 'আলো' (Light) সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।
স্থাপত্যের এই অসাধারণ নিদর্শনের জন্য বায়তুর রাইয়ান মসজিদ ২০২৫ সালে পাবলিক আর্কিটেকচার বিভাগে বৈশ্বিক DNA Paris Design Award 2025 জয় করেছে। ২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত 'এস্পেস নিমেয়ার'-এ (Espace Niemeyer) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাংলাদেশী স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান কিউবইনসাইড ডিজাইন লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রধান স্থপতি খন্দকার আসিফুজ্জামান রাজন এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মসজিদের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।